বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ কোন নারী আজ নিরাপদ নয় বাংলাদেশে। নিজের আপন পিতা ও ভাইয়ের কাছেও নিরাপদ ছোট্ট মেয়েটা। দেশে এত পরিমাণ ধর্ষণ বেড়েছে যা বলার ভাষা রাখে না। ধর্ষণ আগে ছিল না যে তা না কিন্তু এত পরিমাণে শিশু ধর্ষণের ছিল না।
তবে পুরুষ কি সব অমানুষ হয়ে গেছে নাকি এর পিছে রয়েছে কোন ভয়ানক কারণ। অবশ্যই এর পিছে রয়েছে ভয়ানক এক ব্যাধি পর্ণ আসক্ত পুরুষ সমাজ। বর্তমানে কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত প্রায় গড়ে ৬০% পুরুষ পর্ণ আসক্ত। পর্ণ ইন্ডাস্ট্রি সেক্স ইডুকেশনের নামে নারীকে ভোগ্য বস্তু ও যৌন দাসী রুপে উপস্থাপন করে। যা পরক্রিয়া ও ধর্ষণকে সরাসরি প্রচার করে। যে পুরুষ একবার পর্ণ আসক্ত হয়ে পড়ে ওর কাছে দুনিয়ার সব নারী ভোগ্য বস্তু বলে মনে হতে থাকে। সে বুঝে এটা খারাপ কিন্তু আসক্তির কারণে ছাড়তে পারে না। একটা সময় ভোগ্য বস্তু ভেবে হায়নার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে নারীদের উপর। শুধু পর্ণ আসক্তি দায়ী নয় বাংলাদেশের আইন এর জন্য অনেকাংশ দায়ী ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে না পারার। জনসম্মুখে ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত যা প্রতিষ্ঠা করতে পুরোপুরি ব্যর্থ বাংলাদেশের আইন। যার ফলশ্রুতিতে এত পরিমাণ ধর্ষণ ও পরক্রিয়া সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর প্রতিকার সম্ভব যদি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র এটি দমনে কার্যকর পদ্ধতি অবলম্বন করে। ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক অনুশাসন ও ন্যায় সংগত আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
-নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রান্তি লগ্ন পত্রিকা
.jpg)

Comments
Post a Comment