Skip to main content

Posts

ওরা বাচ্চাদের ধর্ষণের পর হত্যা করে তাদের মাংস দিয়ে পার্টি করতো।

  পশ্চিমা সভ্যতা নিজেকে মানবাধিকার, স্বাধীনতা ও নৈতিকতার একমাত্র অভিভাবক হিসেবে তুলে ধরতে ভালোবাসে। তাদের আইন, সংস্কৃতি ও জীবনধারাকে বিশ্বের জন্য আদর্শ বানানোর এক অদৃশ্য চাপও তারা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই তথাকথিত সভ্যতার আয়নায় তাকালে কি শুধু আলোই দেখা যায়, নাকি ভয়ংকর অন্ধকারও স্পষ্ট হয়? যে সমাজ অন্যদের নৈতিকতা শেখায়, সেই সমাজেই শিশু নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার ঘটনা বারবার সামনে আসে। এসব অপরাধ কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বহু ক্ষেত্রে এগুলো একটি শক্তিশালী কাঠামোর ভেতরে চাপা পড়ে যায়। অর্থ, ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাব অপরাধীদের রক্ষা করে, আর ভুক্তভোগীরা হারিয়ে যায় নীরবতার অন্ধকারে। অথচ এই একই শক্তি বিশ্বের অন্য প্রান্তে বসে বক্তৃতা দেয়—কীভাবে সমাজ চলবে, কোন বয়সে বিয়ে হবে, কোন সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য আর কোনটা নয়। যারা এই একচোখা নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে, তাদের গায়ে সহজেই “চরমপন্থী”, “সন্ত্রাসী” বা “পশ্চাৎপদ” তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়। সমালোচনা এখানে অপরাধ, প্রশ্ন তোলা এখানে অগ্রহণযোগ্য। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো—এই দ্বিচারিতা আজ স্বাভাবিক হয়ে গেছে। মানবাধিকার এখানে নির্বাচনী; শক্তিশালীদের জন্য শিথিল, দুর্...
Recent posts

2040 সালের মধ্যে পৃথিবীতে থেকে ধর্ম, বর্ডার, এবং মুদ্রা ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে।

  আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্ব শাসন করবে উচ্চশিক্ষিত, নোবেল বিজয়ী ও মানবাধিকারকর্মীরা—যারা নিজেদেরকে বিশ্বের সামনে শান্তির রক্ষক বলে দাবি করবে। কিন্তু বাস্তবে বিশ্বের সকল যুদ্ধ ও বিগ্রহ তারাই শুরু করবে।  বিশ্বের প্রতিটি দেশ একে অপরের শত্রুতে পরিণত হবে। সাধারণ মানুষ মনে করবে তারা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করছে, অথচ বাস্তবে তারা লড়াই করবে এলিট শ্রেণির স্বার্থ রক্ষায়। গ্রাম থেকে শহর—সবকিছুই একসময় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হবে। চারদিকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য এমন পর্যায়ে পৌঁছাবে যে মানুষের অমূল্য জীবন হয়ে উঠবে খুবই তুচ্ছ। খাবারের জন্য মানুষ একে অপরের প্রাণ নিতেও প্রস্তুত থাকবে।  যুদ্ধের এক পর্যায়ে গিয়ে সব দেশের সাধারণ জনগণ শান্তি চাইবে। তখন এলিট শ্রেণি আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। এরপর তারা শান্তির ফয়সালা হিসেবে বলবে— সব দেশের সীমান্ত তুলে দেওয়া হোক, কারণ রাজ্য বা রাষ্ট্র না থাকলে রাজত্ব নিয়ে আর যুদ্ধ হবে না। এরপর তারা বলবে—ধর্মচর্চা বন্ধ করে সবাই নাস্তিক হয়ে যাক, তাহলে আর কোনো ভেদাভেদ থাকবে না; সবাই এক হয়ে নিজেদের মতো বসবাস করতে পারবে। এই যুদ্ধে ব...

“আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনির পতন হলে আর কোনো মুসলিম নেতা থাকবে না যে পশ্চিমা বিশ্বের চোখে চোখ রেখে কথা বলবে”

  আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনি ছিলেন আধুনিক মুসলিম বিশ্বের এমন একজন নেতা, যিনি শুধু ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসই বদলে দেননি, বরং পশ্চিমা আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের আত্মপরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালের ইরানি ইসলামি বিপ্লব প্রমাণ করে দেয় যে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক দিক থেকে পশ্চিমা শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো অসম্ভব নয়। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করেন—খোমেনির পতনের পর মুসলিম বিশ্বে এমন কোনো নেতা আর অবশিষ্ট থাকবে না, যিনি পশ্চিমা বিশ্বের চাপ বা দৃষ্টিভঙ্গির তোয়াক্কা না করে স্পষ্ট ভাষায় কথা বলবেন। খোমেনির নেতৃত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল নৈতিক দৃঢ়তা ও আদর্শিক আপসহীনতা। তিনি পশ্চিমা শক্তিকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক আধিপত্যের প্রতীক হিসেবে দেখতেন। তাঁর নীতিতে বারবার উঠে এসেছে আত্মনির্ভরতা, ইসলামী মূল্যবোধ ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্ন। এই অবস্থান পশ্চিমা বিশ্বের জন্য অস্বস্তিকর হলেও মুসলিম জনগণের একটি বড় অংশের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।  অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্র পশ্চিমা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, কূটনৈতিক সম্পর্ক ...

মারা গেছেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ অভিনেত্রী গুলশান আরা

  অভিনেত্রী গুলশান আরা আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। অভিনেত্রীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে মৃত্যুর খবরটি দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবাল সকাল পৌনে সাতটায় অভিনেত্রী মারা যান। প্রথম আলোকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রীর মেয়ে জাকিয়া রেজওয়ানা। অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। জাকিয়া রেজওয়ানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘চার দিন ধরে মা ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কাল রাতে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সকালে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাদ আসর জানাজা শেষে মায়ের কবরের পাশে গুলশান আরা আহমেদকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে। গুলশান আরা আহমেদের ফেসবুক আইডি থেকে আজ মাঝরাতে লেখা হয়, ‘আমার আম্মু গুলশান আরা আহমেদ আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে আছেন, হার্ট অ্যাটাক এবং হার্ট ফেইলিউরের জন্য। আপনারা সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’ পরে শোনা যায় মৃত্যুর খবর, অর্থাৎ লাইফ সাপোর্ট থেকে আর ফেরানো যায়নি তাঁকে। ভোরে তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করা হয়। গুলশান আরা ‘হৃদয়ের কথা’, ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘ভালোবাসা আজকাল’, ‘লাল শাড়ি’...

খ্রিষ্টান মিশনারি ফাঁদে ধর্মান্তরিত হয়ে হারিছেন সব

 খ্রিষ্টান মিশনারি গুলো বাংলাদেশে মানুষের বিভিন্ন ধরনের সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এই সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা পিছনে অসহায় এবং গরিব মানুষ দের ধর্মান্তরিত করার কাজ চালাচ্ছে। এরকম এক তথ্য উঠে এসেছে আমাদের হাতে। (নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক পেশায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক) অফিসে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছিলাম। হঠাৎ এই মুরুব্বী লোকটি এসে সাহায্য চাইলো। দেখেই বুঝা যাচ্ছিল বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বুড়ো মানুষটা অনেক অসুস্থ। কিছুক্ষণ কথাবার্তা শুনে তার অসহায়ত্বের অবস্থা আমার কাছে আরো পরিষ্কার হয়ে উঠলো।  সাধ্যমত আমি তাকে কিছু সাহায্য করলাম। উনি বললেন, আমাকে আরো কিছু বাড়িয়ে দিন। আমি আরো কিছু দিলাম। এবার উনি অশ্রুসিক্ত নয়নে বললেন, অনেকের কাছেই সাহায্য চাই, সবাই সাহায্য করে না। কিন্তু যতগুলো স্কুল ও মাদ্রাসায় গিয়ে সাহায্য চেয়েছি, সব জায়গায় সাহায্য পেয়েছি। কী করেন? কোথায় থাকেন? জানতে চাইলে তিনি ভয়ঙ্কর সব তথ্য দিলেন...  মুরুব্বী বললেন, আমি আগে হিন্দু ধর্মের মানুষ ছিলাম, অসহায় ছিলাম বলে খ্রিস্টান মিশনারি আমাকে টার্গেট করে এবং আমাকে প্রাথমিকভাবে বেশ অনেক সাহায্য...

দেশের জন্য নয় টাকা চুরি করে জেলে খেটেছেন শেখ মুজিব

 রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি করার প্রথম পূর্ব পাকিস্তানির নাম শেখ মুজিব।  শেখ মুজিবুর রহমান দুর্নীতি দমন মন্ত্রী হয়েও, খুবই অশোভন স্বয়ং দুর্নীতির মদত দিয়েছিলেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর অর্থ আত্মসাত করেছিলেন। সেই অর্থ দিয়ে ধানমন্ডি একটা বড় বাড়ি তৈরি করে ছিলেন। যা দুর্নীতির স্বারক। এই কথা বদরদীন উমর তার বইতে লিখে যান। তার এই দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসলে পূর্ব পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী ২ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়।  পূর্ব পাকিস্তানি দের মধ্যে প্রথম চোর যে রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি করে জেলে খেটেছেন । ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন শুরু হলে শেখ মুজিব এবং তার রাজনৈতিক সঙ্গী সাথীরা এই সুযোগে ব্যবহার করে প্রচার করতে থাকে মুজিব কে দেশের জন্য রাজবন্দী করেছেন। বায়ান্নর দিনগুলো লেখা আত্মজীবনী ছিল পুরো বানোয়াট। শুধু জনগণ লোক দেখানোর জন্য তৈরি করেছিলেন। -নিজস্ব প্রতিবেদক  -ক্রান্তি লগ্ন পত্রিকা সূত্র: পিনাকী ভট্টাচার্য

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান মেয়েকে ধর্ষণ এবং পুরো পরিবারকে হত্যা করেন আজমীর ওসমান

 ২০১৩ সালের শুরুতে নারায়ণগঞ্জ নগরীর মাজদার এলাকায় একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আজমীর ওসমান দাওয়াতে যায়। সেখানে উম্মে হানিয়া নামে একটি মেয়ে গান করছিলো। সেই অনুষ্ঠান থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে সেখানে সেই মেয়েকে ধর্ষণ এবং অপহরণ করে। পরবর্তী সেই মেয়ে ও তার পরিবারকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।   এই বিষয়ে নিয়ে মামলা করা হলো পুলিশ মামলা নেয় না। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হয় এই বিষয়ে কোন নিউজ না করার জন্য। প্রায় ১৬টা মতো হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে আজমীর ওসমান নামে। ওসমান পরিবারের সকল অপকর্মের বিষয়ে নিউজ না করার অলিখিত আদেশ জারি করেন শামীম ওসমান।  -নিজস্ব প্রতিবেদক   -ক্রান্তি লগ্ন পত্রিকা