Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2025

ভর্তি শঙ্কা ও সেশনজটের দুর্ভোগে সাত কলেজ

 গত ২৭ জানুয়ারি ঢাবি উপাচার্য সাত কলেজের অধিভুক্ত বাতিল করলে এখন পর্যন্ত দেওয়া হয় নাই কোন রুপ রেখা। সাত কলেজ শিক্ষার্থীরা স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি করেছিলো তাদের দাবি মেনে নেওয়া হলে এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দ্রুত পদক্ষেপ কোন দেখা যাচ্ছে না।  এখন পর্যন্ত নতুন শিক্ষাবর্ষ ২৪-২৫ সেশনের ভর্তি বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। ভর্তি অধীনে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করে রাখা হয়েছে ।   যত দিন যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেশনজট শঙ্গা বেড়ে চলছে।   এই নিয়ে ঢাকা কলেজের ২৩-২৪সেশনের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতি জানায়, আমাদের সাথে শুধু আলোচনা করছে এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত তারা আসছে না এমনকি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঠিক করা হয় নাই। শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাস্তবে কোন কার্যক্রম দেখছি না। আমরা বর্তমানে সেশনজট পড়ে আছি কিন্তু পরিস্থিতি যা দেখছি এই সেশনজট আরো দীর্ঘ হবে। এই বিষয়ে আরো একজন শিক্ষার্থী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ইসলামী ইতিহাস বিভাগের নিলয় জানায়, আমরা বর্তমানে এমন পরিস্থিতি আছি ভবিষ্যতে কি হবে আমরা কিছু জানি না। ...

রোজার আগেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে স্থিতিশীল, সংকটে নিম্নবিত্তরা

  রমজান শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এরই মধ্যে রমজানকে কেন্দ্র করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়ে স্থিতিশীল হয়েছে। পণ্যের লাগামহীন দাম বাড়ায় চরম সংকটে পড়েছে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার। রোজগার না বাড়ায় পরিবার নিয়ে শহরে টিকে থাকাটাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের। পরিবারে একাধিক লোক আয় করেও খরচ মিটাতে সম্ভব হচ্ছে না। সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বলতার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন বলেও মনে করছেন ভোক্তারা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন ডলার সংকট ও এলসি করতে না পারায় পণ্যের দাম বেড়েছে। শুক্রবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, তালতলাসহ একাধিক বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এমন তথ্য। এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্য ছোলা, খেসারির ডাল, মশুর ডাল, অ্যাংকর, বেসন, ডাবলি, সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনিসহ সব পণ্যই গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা তুলনায় পর‌্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্রতিবছর রমজানের এক থেকে দুই সপ্তাহ আগেই এসব পণ্য দাম বেড়ে যায়। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। রমজানের ...

ঢাবি স্বার্থের জন্য ভুলে যেতে পারে সাত কলেজ এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অবদান কিন্তু জাতি ভুলে নাই।

  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কখনোই সফল হতো না যদি সাত কলেজ এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই না করতে।  ঢাবিয়ানরা শুধু শাহবাগে লড়াই করছে কিন্তু ঢাকার আনাচে কানাচে সব জায়গায় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। ঢাবির সমন্বয়করা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিসে কিন্তু বাস্তবায়নে এই সাত কলেজ ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ভূমিকা বেশি। ১৫ জুলাই যখন ঢাবি, জাবির সব হল বাইরে থেকে প্রবেশ বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশ তান্ডব চালায় তখন এই সাত কলেজ এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে এসেছিল তাদের বাঁচাতে। জাবির হলে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের হামলার সময় তাদের বাঁচাতে ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাণ পণে ছুটে গিয়েছিলো তাদের বাঁচাতে। ঢাকার উত্তরায় আন্দোলনে সব বড় ভূমিকা পালন করে এই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। যা বলতে গেলে ছোট আগুনের ফুলকি থেকে হয়ে উঠে দাবানল। আজ তাদের কে "জাতীয় নাগরিক পার্টির" পদ থেকে বঞ্চিত করা হলো। হতে পারে ঢাবিয়ানরা মেধাবী তাই বলে অন্যের অবদান কি গ্রাহ্য নয়।...